স্তব্ধতা নিঃশেষের প্রার্থনা
এই সংকটময়,জর্জরিত, উৎন্ঠিত,অসুস্থ পৃথিবীটা-
কেমন স্তব্ধ হয়ে আছে,
প্রকৃতি তার আগের রূপ ফিরে পাচ্ছে।
শুনেছি-
দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতটা সাগরলতায় ভরে উঠেছে,
একদল ডলফিন নীলাভ পানিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে;
লাল কাঁকড়াগুলো কয়েক দশক পর স্বচ্ছন্দে রোদ পোহাচ্ছে।
পৃথিবীটা থমকে গেছে
বড় বড় গাড়ি,মানুষের ভিড় আর ব্যস্ততার শহরটায় মনে হচ্ছে কোথাও কেউ নেই,
সারা দিন-রাত পদচারণায় মুখর সড়কটা থেমে গেছে,
রাতের নিয়ন আলোগুলো শান্ত, থমথমে;
সকালের সূর্যটা জানান দেয়-আরো একটা দিন।
এই বিধ্বংসী মহামারি থামিয়ে দিয়েছে সব-
এই শহর
মানুষগুলো
ব্যস্ততা
সাথে স্বস্তির নিঃশ্বাসটা ও।
জানিনা,
কবে দিনগুলোর শেষ হবে
কবে ফিরব সুস্থ,ব্যস্ততার শহরটায়,
কবে রাতের আলোগুলো ব্যস্ততায় ক্লান্ত হবে।
প্রার্থনাটায় চাই,
বিরক্তিকর আওয়াজটায় ভোরের ঘুম ভাঙুক
সারাদিনের ছুটোছুটিতে বারবার তোমায় মনে পড়ুক সাথে একটা ক্ষুদে বার্তার অপেক্ষা,
বাসে ফেরার পথে কাঁধে ঘুমিয়ে পড়া প্রেমিকাকে দেখে প্রেমিক মুচকি হাসুক।
ভালো লাগাটুকু অবাধ্য এক ভালোবাসায় ভরে যাক;
হাতে হাত রেখে বিকেল গড়াক।
একদিন কাছে থাকার যে সম্পর্কটা এই অসুস্থ পৃথিবীটা দূরে ঠেলে দিয়েছে,সেই সম্পর্ক প্রাণ ফিরে পাক।
আর
কাছে থেকেও অসীম দূরত্বের তুমি-আমি?
হয়তো কখনো ছায়াপথ ধরে এসে আমার অপেক্ষার অবসান ঘটাবে
কিংবা আসলেই না;
নাইবা মিটলো অসীম দূরত্ব
না হলো আমার অপেক্ষার অবসান
আক্ষেপ? একদম ই না।
শুধু তুমি আমার
"তুমি" ই থেকো।
সুমাইয়া তাসনিম
সেশনঃ ২০১৪-১৫
ডিপার্টমেন্ট অফ ম্যানেজমেন্ট
