13 August, 2020

BizHorizon ম্যাগাজিনের আগস্ট সংখ্যার জন্যে লেখা আহ্বান

                                  


চট্টগ্রাম  ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দের লেখা নিয়ে প্রকাশিত  ম্যাগাজিন BizHorizon এর জন্যে লেখা আহ্বান করা হচ্ছে।


বিবেচ্য বিষয়: 

11 August, 2020

"MANJOS PICKLE" - মোবাশ্বের হোসেন (ম্যানজুস)

 


মোবাশ্বের হোসেন (ম্যানজুস)

সেশনঃ ২০১৬-১৭

ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট

 

২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসেই আমাদের ব্যবসার যাত্রা শুরু হয়। একাডেমিক পড়ালেখার অংশবিশেষ মার্কেটিং কোর্সের একটা এসাইনমেন্ট করতেই গিয়ে ব্যবসায় শুরু করার প্রবল আগ্রহ অনুভব করি। তা থেকেই 'হোমমেড আচার' নিয়ে ব্যবসায় আরম্ভ। আমাদের অনলাইন শপের নাম "MANJOS PICKLE"। ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে আমাদের খোঁজ নিতে পারেন।

বর্তমানে আমাদের কাছে সর্বমোট ছয় ধরনের

 হোমমেড আচার রয়েছে;

⭕চালতা আচার

⭕বরই আচার

⭕জলপাই আচার

⭕তেঁতুল আচার

⭕আম আচার ও

⭕ রসুন আচার

আগষ্ট মাসের শেষের দিকে নতুন আরো দুটি আচার যুক্ত করা হবে, ইনশাআল্লাহ। কিছুক্ষণ আগে ঢাকার ভিন্ন তিনটি জায়গায় কুরিয়ার পাঠানোর ডাটা এন্ট্রির কাজ সেরে বিজহরাইজন ম্যাগাজিনের উদ্দেশ্যে আমার ব্যবসায় সম্পর্কিত লিখা শুরু করলাম। আমরা নিজেদের ডেলিভারি ম্যানের সাহায্যে হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি। আশা করছি অর্ডার করার সীমিত সময়ের মধ্যে আমাদের আচার আপনার নিকট পৌঁছে দিতে সক্ষম হবো।

ঘরের পরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরী খাঁটি আচারের নিশ্চয়তা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, 'ম্যানজুস পিকল'।

"YOUR SATISFACTION, OUR ACQUISITION"


T-Box - ইফতেখার আহমেদ

 


ইফতেখার আহমেদ

সেশনঃ ২০১৪-১৫

মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ


২০২০ সাল। আপনি বা আমি এমন একটা অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছি যেখানে সিদ্ধান্ত নিতে হবে খুব দ্রুত, কাজ করতে হবে খুব দ্রুত। একটু দেরি করলেই দেখবেন আপনি অনেক পিছিয়ে পড়েছেন। আমি সরকারী চাকরিজীবি পরিবারের ছেলে। ব্যবসার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক ছিলোনা কখনোই। তবে আমি একাডেমিক পড়াশোনায় আগ্রহ একটু কম পেতাম। আমার সবসময়ই প্র্যাকটিক্যাল কাজগুলোতে ইন্টারেস্ট ছিলো। সারাদিন বই মুখস্ত করে পরিক্ষা দিয়ে ভালো ফলাফল বা চাকরি এসব ব্যাপারগুলো আমাকে খুব একটা আনন্দ দেয়না। করোনাকালীন সময়ে প্র্যাক্টিক্যাল কাজের সুযোগ পেয়ে গেলাম। ব্যবসায় নিয়ে পড়াশোনা করেছি এতোদিন, এখন ব্যবসাতে হাত দিলাম।
আমি সবসময় 'Availability' শব্দটার উপর গুরুত্ব দেই। যেগুলো আমার আশেপাশে খুব সহজে পেয়ে যাবো বা চাইলেই এই সম্পর্কিত যেকোনো সহযোগীতা পাবো সেগুলো নিয়েই কাজ করতে আগ্রহী। অর্থাৎ ব্যবসায়ের রিস্ক তো আপনি একেবারে জিরোতে আনতে পারবেন না, কিন্তু কমাতে পারবেন। Availability আপনাকে সেই সুযোগটা করে দিতে পারে খুব সহজে।
আমি সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার ছেলে। সেজন্য ভাবলাম চা পাতা নিয়ে ব্যবসা করবো। কিন্তু বাগান থেকে চা পাতা এনে বিক্রী করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যার কারণে আমি যেন ক্যাশ মেমো আর ভ্যাট চালানসহ কিনতে পারি সে ব্যাপারে খোঁজ নিতে শুরু করলাম। আইন মানা আমাদের প্রতিটা নাগরিকের কর্তব্য। যখন আইনগত এবং সঠিক সোর্স পেলাম তখন ছোট পরিসরে কাজ করতে শুরু করলাম।

আলহামদুলিল্লাহ প্রথম মাসেই অনেক সেল হয়েছে।
কিছু তথ্য;

ব্যবসায়ের নাম এবং সনঃ T Box (2020)

ব্যবসায়ের ধরণঃ খুচরা এবং পাইকারি (স্বল্প পরিসরে)

প্রোডাক্ট পরিচিতিঃ বিভিন্ন গ্রেডের চা পাতা (কোয়ালিটি বজায় রেখে)
ব্যবসায়ের এরিয়াঃ আপাতত ছোট ছোট এরিয়া টার্গেট করেছি। ব্যবসায় বড় করলে পুরো দেশে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।
ব্যবসায়ের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যঃ মানুষকে দেশীয় ভালো পণ্য সরবরাহ করা।

এই ব্যবসা ধরে রাখাসহ আরো অনেক পরিকল্পনা রয়েছে ভবিষ্যতে। ছোট পরিসরে ব্যবসাটা করে ধীরে ধীরে মার্কেট বোঝার চেষ্টা করছি। যখনই মনে হবে সুযোগ এসেছে তখনই বড় পরিসরে কাজ করতে শুরু করবো ইনশাআল্লাহ।


শীতকালের ঝরা পাতা এবং যোগ্যতা! - নাফিসা আনজুম মৌলি

 


নাফিসা আনজুম মৌলি

 সেশনঃ ২০১৮-১৯

 ব্যাংকিং এন্ড ইনসুরেন্স ডিপার্টমেন্ট

 

শিরোনাম দেখেই এতক্ষণে হয়তো সবাই বুঝে ফেলেছেন লেখার গতিপ্রকৃতি কোনদিকে যাবে। আবার হয়তো বোঝেননি!

আমরা আমাদের ভার্সিটি জীবনের প্রথম থেকেই কম বেশি শুনে আসি স্কিল ডেভলাপমেন্ট এর কথা। স্কিল ডেভলাপমেন্ট টা কি?

এটা হচ্ছে আমাদের কথা বলার ক্ষমতা, মানুষকে আমাদের পয়েন্ট বোঝানোর ক্ষমতা, কোনো সমস্যা নিয়ে আউট অফ দা বক্স চিন্তা করতে পারা, সমস্যার সমাধান করতে পারা, স্ব স্ব ফিল্ডে টেকনোলজিক্যালি অ্যাডভান্স থাকা এরকম ছোট বড় অনেক কাজ। বিজনেস ফ্যাকাল্টিতে এই স্কিল ডেভেলপমেন্টের চর্চাটা তুলনামূলক বেশিই হয় বলা যায়। এবং আমি এই সব দক্ষতার প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে কর্মপটু হিসেবে এই ফ্যাকাল্টির শিক্ষার্থীদেরকেই দেখেছি। শুধু স্কিল ডেভলপমেন্টই না, এই ফ্যাকাল্টির শিক্ষার্থীদের এভারেজ সিজিপিএ বেশ চোখে পড়ার মতো। তারই ধারাবাহিকতায় বিজনেস ফ্যাকাল্টির স্ট্যান্ডার্ড সিজিপিএ ধরা হয় গড়ে ৩.৫০। এবং প্রতি বছরই এই স্ট্যান্ডার্ড সিজিপিএ নিয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থী বের হন। এখন এখানে লাখ টাকার প্রশ্ন যেটা আসে সেটা হল এই স্ট্যান্ডার্ড সিজিপিএ ধারীদের সবাই কি স্কিলড? উত্তরটা সবার জানা। আমি ব্যক্তিগত ভাবে অনেককেই দেখেছি খুবই স্কিলফুল মানুষ কিন্তু সিজিপিএ ওই যাকে বলে স্ট্যান্ডার্ড লাইনটা ছুঁতে পারেনি। আবার কিছু এমন মানুষ দেখেছি সিজিপিএ শুনলে মনে মনে সালাম চলে আসে কিন্তু পড়ালেখার চাপে দক্ষতা বৃদ্ধি হয়ে উঠেনি। এবার আসি আমাদের নিয়ম মাফিক সিস্টেমে। ভালো ভালো জায়গায় আপনি নিয়োগ লাভের আশায় যদি যেতে চান প্রথমেই চোখ বুলিয়ে নিতে হবে সিজিপিএ কন্ডিশন কি তার উপরে। এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনাকে নিয়োগ পরীক্ষায় পদার্পণ করার জন্য ৩.২ থেকে শুরু করে ৩.৫ এমনকি এর বেশি সিজিপিএ ধারী হতে হবে। তাহলে চিন্তা করুন তো সেই শিক্ষার্থীর কথা যে ক্রিটিক্যাল থিংকিং, ইন্টেলেকচুয়াল অ্যানালাইসিস, পাওয়ারপয়েন্ট, এক্সেল, ওয়েব ডেভলপমেন্ট, সি, পাইথনে বস কিন্তু সিজিপিএ টেনেটুনে ৩.০০ এর কোঠায় সে কি করবে? এখন শিক্ষিত সমাজ বলতে আসবেন ‘এত কিছু জেনে লাভ কী যদি সামান্য সিজিপিএ টাই স্ট্যান্ডার্ড মার্জিনে রাখতে না পারা যায়; সিজিপিএ ও একটা শিক্ষার্থীর অনেক বড় দক্ষতা!’ এখানেই আসলে বিতর্কের বিষয়। এখনকার চাকরির বাজারে দেখুনতো ভার্সিটি লাইফে পড়ে আসা কয়টা জিনিস লাগে? আপনি কি জবে বই খাতা নিয়ে কাজ করবেন? এখানেও কিছু সামাজিক উক্তি চলে আসে! ‘কাজ জানলে সিজিপিএ কম হলেও ঠিকই শাইন করবে, দক্ষ কর্মচারী না পেলে কোম্পানির লস, মানুষটার না!’ জ্বী আমিও একমত। কিন্তু একটু চোখ বন্ধ করে চিন্তা করলে বুঝা যায়, লোকসান দুই পক্ষেরই! আপনাদের কি মনে হয় খালি চাকরিদাতার যোগ্য প্রার্থীদের প্রয়োজন? না। চাকরি গ্রহীতারও তার যোগ্য চাকরির পরিবেশ প্রয়োজন। একজন দক্ষ মানুষেরও তার দক্ষতা দেখানোর পরিবেশ লাগে, তার দক্ষতার উন্নয়ন করার জন্য ক্ষেত্র লাগে। আজকে হয়তো কোনো নামী কোম্পানির জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে এবং সিজিপিএ ৩.২০। হয়তো নিয়োগ কর্তারা জানবেও না ৩.০০ এর নিচে পাওয়া অনেক পোটেনশিয়াল প্রার্থী কে তারা হারালো। আবার মন মত কোথাও রিটেনটা দেওয়ারও সুযোগ না পাওয়ায় কোনো রকম ৯টা - ৫টা জব করে সেই পোটেনশিয়াল প্রার্থীগুলো নিজেদের দক্ষতার সাথে জাস্টিস করতে পারলনা। সম্পূর্ণ ব্যাপারটা একটি চক্র; একটি অস্বাস্থ্যকর চক্র। অথচ ইচ্ছা করলেই কিন্তু চাকরি ক্ষেত্রে মেধা সমতা বজায় রাখা যায়। কী দরকার কোনো নির্দিষ্ট মান বেঁধে দেওয়ার? উন্মুক্ত করুন না সবার জন্য চাকরির শর্তগুলো, উন্মুক্ত করে দিন সবার জন্য পরীক্ষাগুলো। আপনার কোম্পানির জন্য তো অযোগ্য কাওকে নেবেন না; তো সবাইকেই তার যোগ্যতা প্রমাণ করতে দিন। সিজির মার্জিন দিয়ে যোগ্যতা পরিমাপ বাদ দিন না! লাভ টা বেশি বৈকি কম হবেনা আপনাদের।

আর যদি এরকম না করতে পারেন যোগ্যরা ঝরে যাবে, সম্ভাবনাগুলো ঝরে যাবে; শীতকালের ঝরা পাতার মতো!!


চাহিদাভিত্তিক পাঠক্রমের বিকাশ - আরশী হোড়

 


আরশী হোড়

সেশনঃ ২০১৭-১৮

হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট  

 

বর্তমানের করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ক্রমশই বেড়ে চলেছে। করোনা যেমন হঠাৎ করেই এসেছে তেমনি হঠাৎ করেই চলে যাবে এমনটা ধরে যদি আগানো হয় তবে করোনা পরবর্তী টালসামাল অবস্থা সামলানো মোটেই সহজ হবেনা। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন কিছু ব্যবস্থা এখন থেকেই নেওয়ার।

 

করোনা পরবর্তী অবস্থার পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে ব্যবসায়ী সম্প্রদায় ভাবছেন, করোনা পরবর্তী বিশ্বে বেকারত্বের সমস্যা মোকাবিলা করতে দেশের পরিশ্রমকারী ব্যক্তিবর্গের দক্ষতাকে পুনরুজ্জীবিত করা প্রয়োজন। আর তা সম্ভব করতে আমাদের শিক্ষা সম্পর্কিত পাঠ্যক্রমে চাহিদাভিত্তিক বিকাশের জন্য আধুনিকীকরণ প্রয়োজন। যদি আমরা তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে কর্মীদের দক্ষ করে তুলতে পারি তখনই তারা Fourth International Revolution (4IR) এর জন্য প্রস্তুত থাকতে পারবে।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর একটি ভার্চুয়াল ডিস্কাশনে, প্রফেসর শামস মাহমুদ বলেছেন,

আমাদের শ্রমিকদলের ২০% উৎপাদন শিল্পের সাথে যুক্ত থাকা সত্ত্বেও আমাদের আরো অনেক দক্ষ শ্রমিক প্রয়োজন। কিন্তু করোনা পরবর্তী সময়ে বিদ্যমান কর্মক্ষেত্র বজায় রাখা এবং নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি অনেকটাই চ্যালেঞ্জিং হবে। আর তাই আমাদের আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত একটি দক্ষতা বৃদ্ধির ট্রেনিং মডিউল তৈরি করতে হবে যাতে আমরা পরবর্তী বিশ্বে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণ করতে পারি।

আর আমরা অর্থাৎ যুবসমাজ যদি আধুনিক অর্থনীতির সাথে একীভূত হতে এবং মার্কেটে আমাদের প্রবেশ নিশ্চিত করতে চাই তবে অবশ্যই সর্বব্যাপী ডিজিটাল কাঠামো তৈরি করতে হবে আর সেজন্য প্রয়োজন মাধ্যমিক পর্যায় থেকে আমাদের শিক্ষাগত পাঠ্যসূচির সংশোধন।

এছাড়াও সরকারের শনাক্ত করতে হবে, আমাদের ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে কী কী দক্ষতার চাহিদা রয়েছে এবং পাঠ্যসূচির আধুনিকায়নে বৃত্তিমূলক এবং কর্মসংস্থান চালিত প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

দক্ষতা বৃদ্ধি নিয়ে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মিটিং এ ডেপুটি এডুকেশন মিনিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, বর্তমানে বৃত্তিমূলক ট্রেনিং এর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। 

পূর্বে TVET (Technical and Vocational Education and Training) এর এনরোলমেন্টের হার ছিলো ০.১% যেটা বর্তমানে ১৭% এবং সরকার কাজ করে যাচ্ছে তা ৫০% করতে। করোনা পরবর্তী সময়ে প্রস্তুত থাকলে হলে আমাদের রিস্কিলিং এবং জব ড্রাইভেন স্কিল ট্রেনিং এ মনোযোগ দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিমান্ড বেসড স্কিল্ড গ্যাজুয়েটস তৈরি করতে কোয়ালিটিপূর্ণ টেকনিক্যাল শিক্ষা, শিক্ষাব্যবস্থার গঠনগত পরিবর্তন, তথ্য প্রযুক্তির সম্পূর্ণ ব্যবহার করে 4IR এর জন্য প্রস্তুত করতে হবে।

করোনা মহামারির প্রভাবে, মিডল ইস্ট,ওয়েস্টার্ন ইউরোপ এবং এশিয়ান রিজিয়ন থেকে অনেক মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কাররা ফিরে আসতে শুরু করেছে। তাদের জন্য পর্যাপ্ত চাকরির ব্যবস্থা ভবিষ্যতে দুষ্কর হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে সরকার ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন,  টেকনিক্যাল শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে বয়স বাঁধা থাকবেনা।  এক্ষেত্রে BMET এর ডিরেক্টর সাখাওয়াত আলি বলেছেন, BMET এর ৭০ টি প্রতিষ্ঠানে স্কিলড মাইগ্রেন্টসদের ট্রেনিং দেওয়া হবে। তাদের পেশার সক্ষমতার উপর ভিত্তি করে একটি ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে। যাতে স্বল্প দক্ষ মাইগ্রেন্টসদের ট্রেনিং দেওয়া যায় যা তাদের ভবিষ্যতে উপর্যুক্ত কাজ পেতে সাহায্য করবে।

এভাবে করোনা পরবর্তী বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে এই চাহিদাভিত্তিক পাঠক্রমের বিকাশ হয়তো কিছুটা ভোগান্তি কমিয়ে আমাদের পথ মসৃণ করবে।